290
Sharesগাজায় রোববারও বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। গাজায় হামাসের রাজনৈতিক ও সামরিক শাখার প্রধান ইয়েহিয়া আল সিনওয়ারের বাড়ি লক্ষ্য করেও বোমা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।
ভোরে ইসরায়েলের বিমান হামলায় কমপক্ষে চারজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। বিধ্বস্ত হয়েছে অন্তত দুইটি বাড়ি। খবর আল জাজিরার গত সোমবার থেকে ইসরায়েল ও গাজার হামাস বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ তীব্র রূপ নিয়েছে। ২০১৪ সালের গাজা যুদ্ধের পর ইসরায়েল ও হামাসের একে অপরের বিরুদ্ধে এটিই সবচেয়ে বড় আক্রমণের ঘটনা।
এই হামলায় এখন পর্যন্ত ১৪৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে শিশু ৪১ জন। এছাড়া ইসরায়েলের হামলায় আহত হয়েছে আরও ৯৫০ জন। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। গাজায় শুক্রবার একটি শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলের বিমান হামলায় কমপক্ষে ১০ জন নিহত হয়েছেন। এদিকে হামাসের হামলায় এখন পর্যন্ত ইসরায়েলে কমপক্ষে ১০ জন নিহত হয়েছেন। ইসরায়েল সেনাবাহিনী জানিয়েছে, গাজা থেকে ইসরায়েলের বিভিন্ন অবস্থানের দিকে কয়েকশ’ রকেট নিক্ষেপ করা হয়েছে।
লাগাতার হামলা থেকে জীবন বাঁচাতে সীমান্তের কাছে বসবাস করা হাজার হাজার ফিলিস্তিনি তাদের বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়া শুরু করেছে।জাতিসংঘ জানিয়েছে, উত্তর গাজায় প্রায় ১০ হাজার ফিলিস্তিনি তাদের বাড়িঘর ছেড়ে গেছে। অনেকে জাতিসংঘ পরিচালিত স্কুলগুলোতে আশ্রয় নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, জাতিসংঘ এবং মিসরের দূতেরা পরিস্থিতি শান্ত করতে কাজ করছেন।
তবে এ পর্যন্ত পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ রোববার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় বসবে। শনিবার ইসরায়েলি বাহিনী গাজায় অবস্থিত ১২ তলা একটি ভবন হামলা চালিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়। ওই ভবনে এপি ও আল–জাজিরার কার্যালয় ছিল।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, আল জালা নামে ওই ভবন তাদের হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল। সেখানে হামাসের সামরিক বাহিনীর কার্যালয় রয়েছে। এ কারণে হামলার আগে তারা ওই ভবন থেকে মানুষকে সরে যেতে সতর্ক করেছিলেন। হামলার নিন্দা জানিয়েছে এপি। হামলার পরে রোববার সকালে তেল আবিব ও ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলের শহরগুলোয় রকেট হামলা চালিয়েছে হামাস।