অর্থ ও বাণিজ্য



দেশদর্পণ ডেস্ক

মার্চ / ১৪ / ২০২৬


এভিয়েশন খাতে বড় হোচট, প্রবাস আয় ধসের শঙ্কা


51

Shares


মধ্যপ্রাচ্যের বাতাসে এখন বারুদের গন্ধ। আকাশের নীলে ধূসর ধোঁয়া। ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলায় যুদ্ধের দামামা বেজেই চলেছে। বিদ্যমান পরিস্থিতি শুধু ভূ-রাজনীতিতেই বিরূপ প্রভাব ফেলেনি, লণ্ডভণ্ড করে দিচ্ছে কোটি কোটি মানুষের জীবন ও জীবিকা।

এর মধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বেশ কয়েকটি আকাশপথ, দীর্ঘ হচ্ছে বাতিল হওয়া ফ্লাইটের তালিকা। মধ্যপ্রাচ্য সংকটে টালমাটাল দেশের এভিয়েশন খাত, প্রবাসী কর্মীর জীবন, সামগ্রিক অর্থনীতি। কবে আবার সুস্থির হবে মধ্যপ্রাচ্য, সেই আশায় উন্মুখ লাখো মানুষ।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই সংকটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী ৪৭৫টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।

সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত এক লাখ ১০ হাজারের বেশি যাত্রী, যাঁদের অধিকাংশই প্রবাসী শ্রমিক। পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে বড় ধরনের ধস নামার আশঙ্কা রয়েছে।

এভিয়েশন খাত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, যুদ্ধের প্রভাবে তাঁদের কার্যক্রম ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ কমে গেছে। ফ্লাইট বন্ধ থাকলেও এয়ারলাইনসগুলোর প্রশাসনিক ব্যয়, মেইনটেন্যান্স ও পার্কিং চার্জ থেমে নেই।

মধ্যপ্রাচ্যকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করে ইউরোপ, আমেরিকা ও অন্যান্য গন্তব্যে পরিচালিত বৈশ্বিক এয়ারলাইনসগুলোরও আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে অনেক বিমান সংস্থার  ব্যবসা টিকিয়ে রাখাই কঠিন হবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে প্রবাসকর্মীদের জন্য বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থাসহ সংকট মোকাবেলায় সরকারি-বেসরকারি সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।


মিলিয়ে গেছে ছুটির আনন্দ

ঈদের ছুটিতে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরেছেন অনেক প্রবাসী শ্রমিক। ভেবেছিলেন স্বজনদের সঙ্গে কয়েকটা দিন কাটিয়ে ফিরবেন কর্মস্থলে।

কিন্তু যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সেই ফেরার পথ রুদ্ধ। আগেভাগে টিকিট কেটে রাখলেও ফ্লাইট বাতিলের কারণে তাঁরা এখন ঘরবন্দি। রুদ্ধ তাঁদের জীবিকার পথ।

‘আমাদের ঈদ আনন্দ শেষ, কিন্তু কবে ফিরতে পারব জানি না।’—এমন আক্ষেপ প্রবাসীদের কণ্ঠে। দিন যত যাচ্ছে, বাড়ছে অন্লিয়তা। নির্ধারিত সময়ে কাজে যোগ দিতে না পারলে অনেকেরই চাকরি হারানোর শঙ্কা রয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী যাত্রী মো. জাহিদ হাসান বলেন, ‘আমার ফ্লাইট ছিল ৫ মার্চ, তারপর বদলে হলো ৮ মার্চ, এর পর ১২ মার্চ নির্ধারণ করা হলেও সে সময় পার হয়ে গেছে। কবে যেতে পারব, এর ঠিক নেই। ওখানে চাকরি আছে, মালিক বারবার ফোন করছেন। কী করব, বুঝতে পারছি না। আমার সঞ্চিত টাকা শেষ। এখন খরচ চালাতেও কষ্ট হচ্ছে।’

কুয়েতগামী যাত্রী আব্দুর রহিম বলেন, ‘আমার ভিসার মেয়াদ আর পাঁচ দিন আছে। এই সময়ের মধ্যে যেতে না পারলে ভিসা বাতিল হয়ে যাবে। এক লাখ ২০ হাজার টাকা খরচ করে ভিসা করেছি।’

সৌদি আরবগামী যাত্রী আবুল কালাম বলেন, ‘আমি ওমরাহ করতে যাচ্ছিলাম। পুরো প্যাকেজের টাকা দিয়েছি। কিন্তু ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় ওমরাহ করতে পারছি না। ট্রাভেল এজেন্সি বলছে, ফ্লাইট চালু না হলে টাকা ফেরত দেবে না।’


মরুর দেশে নিঃস্ব ওমরাহযাত্রী

সীমিত বাজেটে ওমরাহ পালনে গিয়ে সৌদি আরবে অনেক হাজিও আটকে পড়েছেন। ফ্লাইটের ঠিক নেই। অনেকের অর্থ শেষ। কেউ কেউ পরিবার থেকে টাকা নিয়ে খরচ চালাচ্ছেন। আবার চেনাজানা কারো কাছ থেকে ঋণ নিয়ে চলছেন। মানবিক সংকটের অন্য এক করুণ চিত্র দেখা যাচ্ছে সৌদি আরবে।

নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি দিন থাকতে গিয়ে অনেকেরই পকেটের শেষ সম্বলটুকু ফুরিয়ে গেছে। বিদেশের মাটিতে অর্থকষ্টে পড়া এই হাজিদের দিন কাটছে চরম উৎকণ্ঠায়। কেউ দেশ থেকে ধার করে টাকা আনিয়ে খরচ মেটাচ্ছেন।


বাংলাদেশের জন্য দ্বৈত সংকট

বাংলাদেশের জন্য এই সংকট আরো গভীর। মধ্যপ্রাচ্যের সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন ও ওমান-বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিকদের প্রধান গন্তব্য। সরকারি তথ্য অনুসারে, প্রায় ৪৫ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক এই ছয়টি জিসিসি দেশে কর্মরত। প্রতিদিন গড়ে আড়াই থেকে তিন হাজার শ্রমিক মধ্যপ্রাচ্যগামী ফ্লাইটে যাত্রা করেন। কিন্তু আকাশপথ বন্ধের কারণে দাম্মাম, দোহা, দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও কুয়েত রুটগুলো সম্পূর্ণ স্থগিত।

বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) হালনাগাদ তথ্য বলছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত টানা ১৭ দিনে মোট ৪৭৫টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। যদিও এই ১৭ দিনে সীমিত পরিসরে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে, যা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অর্ধেকেরও কম।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা জানান, গত ১৭ দিনে মধ্যপ্রাচ্যগামী ফ্লাইটের ৫৫ শতাংশের বেশি ক্ষমতা হারিয়েছে দেশ। বিমানবন্দরে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী ফিরতি ফ্লাইটের আশায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কল সেন্টারে প্রতিদিন গড়ে দুই হাজার ৫০০-এর বেশি কল আসছে সহায়তার জন্য।


বিমান সংস্থা বিপদে

ইউনাইটেড লিংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সৌদিয়া এয়ারলাইনসের জিএসএ আহমেদ ইউসুফ ওয়ালিদ বলেন, ‘প্রতিদিনই ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় বহু যাত্রী গন্তব্যে যেতে পারছেন না। কাজ, ব্যবসা বা পড়াশোনার জন্য বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়ার কথা ছিল—এমন অনেকেই যেতে পারছেন না। আবার মধ্যপ্রাচ্যের ব্যবসায়ী ও পর্যটকরাও বাংলাদেশে আসতে পারছেন না। এর প্রভাব পড়েছে দেশের পর্যটন খাতেও। ঢাকার অনেক তারকা হোটেল প্রায় ফাঁকা।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) বোসরা ইসলাম বলেন, ‘বিমানের আয়ের অর্ধেকের বেশি আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্য ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় আমরা ব্যাপক সংকটে পড়েছি।’

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসও এই সংকটে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) মো. কামরুল ইসলাম জানান, ‘আমাদের ফ্লাইটের বেশির ভাগই মধ্যপ্রাচ্যগামী। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আমরা প্রায় ৬০ শতাংশ ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয়েছি। এই সংকট দীর্ঘায়িত হলে ছোট এয়ারলাইনস হিসেবে টিকে থাকা কঠিন হয়ে যাবে। এটি করোনা মহামারির মতো ভয়াবহ বিপর্যয় আমাদের সবার জন্য। সরকারের উচিত এভিয়েশন খাতকে বাঁচাতে জরুরি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা।’ তিনি বলেন, ‘এখন আমাদের মধ্যপ্রাচ্যনির্ভরতা কমাতে উদ্যোগ নেওয়ার কথা ভাবছি। ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকার নতুন রুট খোলা, ফ্লিট বাড়ানো এবং কার্গো পরিবহনে জোর দেওয়ার পরিক—গুনা করা হচ্ছে।’


বৈশ্বিক এভিয়েশন খাতে স্থবিরতা

বিশ্বব্যাপী এমিরেটস, কাতার এয়ারওয়েজ, টার্কিশ এয়ারলাইনস, লুফথানসা, ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের মতো বড় ক্যারিয়ারগুলো মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন রুট স্থগিত করেছে। ফলে ইউরোপ-এশিয়া রুটে ফ্লাইটগুলোকে দীর্ঘ পথে (আরব উপদ্বীপ বা ক্যাস্পিয়ান সাগরের উত্তর দিয়ে) যেতে হচ্ছে, যা জ্বালানি খরচ ২০-৩০ শতাংশ বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং ফ্লাইট সময় তিন থেকে পাঁচ ঘণ্টা বাড়ছে।

এয়ার কার্গো খাতেও বড় ধাক্কা লেগেছে। মধ্যপ্রাচ্য দিয়ে যাওয়া কার্গো ট্রাফিক ২০ শতাংশ কমেছে। ফলে বিশ্বব্যাপী সাপ্লাই চেইন ব্যাহত হচ্ছে, পণ্যের দাম বাড়ছে।


শ্রমবাজারে বড় ধাক্কার আশঙ্কা

দেশের রেমিট্যান্স ও রপ্তানি খাত সংকুচিত হলে অর্থনীতিতে প্রভাব হবে ভয়াবহ। প্রবাস আয়ের প্রায় ৪৫ শতাংশ আসে জিসিসি দেশ থেকে। গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় দুই হাজার ২০০ কোটি ডলার। এর মধ্যে ৯৯০ কোটি ডলার এসেছে জিসিসি দেশগুলো থেকে। রেমিট্যান্সের এই প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চরম চাপ তৈরি হবে।

অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, ‘এই যুদ্ধের প্রভাব দেশের শ্রমবাজার ও রেমিট্যান্সের ওপর সরাসরি ও বহুমুখী। যদি সংঘাত দীর্ঘ হয়, তাহলে অনেক দেশ বিদেশি শ্রমিক নিয়োগ স্থগিত করতে পারে। অন্যদিকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে পরিবহন খরচ, বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ ও শি—গু উৎপাদন খরচ বেড়ে যাবে। এর প্রভাব পড়বে মূল্যস্ফীতিতে, যা এরই মধ্যে সাধারণ মানুষের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘রেমিট্যান্স আমাদের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। এই খাতে ধস নামলে পুরো অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়তে পারে। আমদানি ব্যয় মেটানো কঠিন হবে, ডলারের দাম আরো বাড়বে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। সরকারের এখনই জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।’

এভিয়েশন বিশ্লেষক এ টি এম নজরুল ইসলাম বলেন, ‘এই যুদ্ধের ফলে এভিয়েশন খাতে যে সংকট তৈরি হয়েছে, তা কভিড-১৯ মহামারির চেয়েও বড় ধাক্কা। মহামারির সময় মানুষ বাড়িতে ছিল বলে স্বাস্থ্যঝুঁকি ছিল, কিন্তু আকাশপথ খোলা ছিল। এখন আকাশপথই বন্ধ। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ বন্ধ থাকায় শুধু যাত্রী পরিবহন নয়, পুরো গ্লোবাল সাপ্লাই চেইন ও পর্যটন খাতও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বাংলাদেশের মতো দেশে প্রবাসী শ্রমিকদের চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমে অর্থনীতিতে গভীর প্রভাব পড়বে। সরকার ও এয়ারলাইনসগুলোকে এখনই বিক—গু রুট ও দীর্ঘমেয়াদি পরিক—গুনা নিয়ে এগোতে হবে, না হলে ক্ষতি অপূরণীয় হয়ে যাবে।’


আকাশপথ খোলার অন্লিয়তা

কয়েকটি এয়ারলাইনস সীমিত পরিসরে ফ্লাইট চালু করলেও আকাশপথের অনিরাপত্তা ও মাঝে মাঝে বন্ধের কারণে তা অস্থির। বিশেষ”রা বলছেন, বিক—গু রুট (যেমন তুরস্ক বা অন্যান্য দেশ দিয়ে) খোঁজা হচ্ছে, কিন্তু খরচ অনেক বেশি। ইরান, ইরাক, কুয়েত, ইসরায়েল, বাহরাইন, কাতার, সিরিয়ার আকাশপথ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের আকাশপথ আংশিক সীমিত।

বিশেষ”দের মতে, এই সংকট কমপক্ষে চার-পাঁচ মাস চলতে পারে। যুদ্ধ বন্ধ হলেও আকাশপথ পুরোপুরি চালু হতে আরো সময় লাগবে। কারণ বিমানবন্দর ও এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল সিস্টেম পুনরায় চালু করতে হবে, নিরাপত্তা নি্লিত করতে হবে।

অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, ‘আমাদের এখনই দীর্ঘমেয়াদি পরিক—গুনা নিতে হবে। মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরতা কমাতে হবে। নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি করতে হবে। বিক—গু জ্বালানি উৎস খুঁজতে হবে। না হলে ভবিষ্যতে এ রকম প্রতিটি সংকটে আমরা হিমশিম খাব।’

আটকে পড়া যাত্রীদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনার দাবি উঠেছে। ইউনাইটেড লিংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সৌদিয়া এয়ারলাইনসের জিএসএ আহমেদ ইউসুফ ওয়ালিদ বলেন, ‘ওমরাহ পালন করতে গিয়ে সৌদি আরবে আটকে পড়া অনেক হাজি আর্থিক সংকটে পড়েছেন। তাঁদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে বিশেষ ফ্লাইট চালুর জন্য সরকারের কাছে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস ও এমিরেটস দুবাই থেকে কিছু ফ্লাইট পরিচালনা করে আটকে পড়া বেশ কয়েকজন যাত্রীকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে ভোগান্তি আরো বাড়তে পারে।’


এএফ/০১

অর্থ ও বাণিজ্য